কোন সাংবাদিক কেই কম্পাউন্ডের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি ।
প্রথম তলাতে রাখা সকল ধরনের ফাইল পত্র এবং অন্যান্য বস্তু পুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে ।
কিন্তু এতে বড় ধরনের কোন ক্ষতি হয় নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কেননা গুরুত্তপুর্ন ডাটা এবং অন্যান্য তথ্যাদি কম্পিউটারে সংরক্ষিত আছে । একটা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে মনে করছেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর নাজমুল আলম । নারায়ানগঞ্জ-আদমজি ইপিজেড রোড প্রায় দেড় ঘন্টা যাবত বন্ধ ছিলো এই ঘটনার সময়ে । তখন তীব্র যানযট এর সৃষ্টি হয় । প্রজেক্ট ডিরেক্টর এর ভাষ্যমতে এই পাওয়ার প্লান্ট এই বছরের এপ্রিল মাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে । ৩২ জন স্প্যানিশ, ৪ জন আর্জেন্টাইন এবং ২ জন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার এখানে কাজ শুরু করেছিলেন ।
0 মন্তব্যসমূহ