সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে ৩১ আগস্ট রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাশে সোর্স নজরুল ভাড়া বাসায় ডেকে এনে এক আসামীর দুই স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ঠে আসে ।
পরদিন এই দুই মহিলা সাংবাদিক ও বিভিন্ন আইনজীবীদের কাছে অভিযোগ করলে । কালের কন্ঠ ও অনলাইনে এই খবরে তোলাপার শুরু হয়ে যায় । ডাকাতি মামলায় মিজমিজি দক্ষিণপাড়া থেকে একজনকে গ্রেফতার করে ৩১ আগস্ট রিমান্ডে নেয় পুলিশ। ওই রাতেই রিমান্ডে নির্যাতন করা হবে না শর্তে ২৫ হাজার টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দুই সতীনকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এসআই আতাউর ও তার দুইজন সোর্স নজরুল এবং শুভের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গঠন করা হয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি। শুক্রবার আটক করা হয় দুইজন সোর্স নজরুল ও শুভকে।
এই ঘটনার সত্যি মিথ্যা কখন বের হয়ে আসবে না । কিন্তু শুধুমাত্র একজন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশের এস আই এর কারনে আজ সমগ্র প্রতিষ্ঠানটি সোসাল মিডিয়াতে পুলিশ এর নামে মানুষ বিভিন্ন নেগেটিভ মন্ত্যব্য করছে । এই ঘটনায় এস আই আতাউর সরাসরি জড়িত ছিল না কি ছিল না তার থেকে গুরত্বপুরন । ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুই নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেবার মত উন্মাদনা কেন আমাদের মত মুসলিম দেশে আজো চলছে ।
আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সোর্স রা ইয়াবা সেবি কিংবা প্রত্যখ্য ভাবে এর ব্যাবসার সাথেই জড়িত । ক্রাইম দমন করতে গিয়ে , ক্রিমিনাল দের সাথে থেকে যখন আইন রক্ষাকারী করে বসে মানবের হিন্যতম অপরাধ তখন প্রশ্ন থেকে যায় রাষ্ট্রের কাছে । আর কত ধামা চাপা দিতে হবে আমাদের কলঙ্ক গুলোকে
1 মন্তব্যসমূহ
Such a nice blog.
উত্তরমুছুনI have read an amazing article here.